Notice :
আমাদের সাইটে আপনাদের স্বাগতম
করোনায় উ,হানের সেই ল্যাব নিয়ে এবার নতুন ত,থ্য প্রকাশ

করোনায় উ,হানের সেই ল্যাব নিয়ে এবার নতুন ত,থ্য প্রকাশ

আন্তর্জাতিক খবর: বণ্য-প্রাণীর বাজার থেকে নয় বরং উহানের ল্যাব থেকেই ছ,ড়িয়ে পড়েছে করোনা-ভাই,রাস। সম্প্রতি এমন বি,স্ফোরক দা,বি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এক খ্যাত-নামা লেখক ও বিশেষজ্ঞ।

তার অ,ভিযোগ বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ থেকে এটা বলা যায় যে, অবশ্যই উ,হানের ল্যাবরেটরি থেকেই করোনা-ভাইরাস ছড়িয়েছে, কোনো বণ্য-প্রাণীর বাজার থেকে নয়। রোববার রাতে স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাত-কারে চীনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্লিভ হেমিলটন বলেন, দক্ষিণ চীনের সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে করোনার উৎপত্তি হয়েছে এই কথার এখন আর কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, প্রথম,দিকে কোভিড-১৯য়ে যারা আ,ক্রান্ত হয়েছেন তাদের কারো সঙ্গেই উহানের সামুদ্রিক বাজারের কোনো সম্পর্ক ছিল না। যদিও প্রথম থেকে ওই সামুদ্রিক বাজারকেই এই ভাই,রাসের উৎপত্তির জন্য দা,য়ী করে আসা হচ্ছে।

এছাড়াও গত বছরের অক্টোবরে বেশ কিছুদিন উহানের ওই ল্যাব বন্ধ রাখা হয়েছিল। কেন বন্ধ ছিল, সেখানে কি হয়েছিল সে সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। সে কারণে ওই ল্যাবকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের জ,ল্পনা দানা বাঁ,ধছে। তিনি বলেন, শীর্ষ মানের বেশ কিছু গবেষণা থেকে অনেক রকম তথ্য উঠে এসেছে। তাই গত ডিসেম্বরে উ,হানের সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে করোনার উৎপত্তি এমন তথ্য একেবারেই গ্রহণ-যোগ্য নয়।

বাকি যে সম্ভাব্য ব্যাখ্যাটি উপস্থাপন করা যায় তা হচ্ছে, এটি উহান ইনস্টিটিউট অব ভাই,রোলজি থেকে ছ,ড়িয়েছে। তিনি বলেন, অনেক চীনা বিজ্ঞানীও একই ধরনের ধারণা পোষণ করেছেন। যদিও পরবর্তীতে এসব তথ্য ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রথম যে নারী করোনায় আ,ক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি উহান ইনস্টিটিউট অব ভাই-রোলজিতে কাজ করতেন। চীন জুড়ে ইন্টারনেটে তাকে খুঁ,জে বেরিয়েছে সবাই। কিন্তু তার কোনো খবরই পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, প্রথমদিকে বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন যে, বাদুড় থেকে এই ভাই,রাস ছ,ড়িয়েছে। উ,হানের যে সামুদ্রিক বাজারের কথা বলা হয়ে থাকে সেখানে নানা ধরনের প্রাণী খাঁ,চায় ভরে বিক্রি করা হয়। ওই বাজারটি উ,হানের ল্যাব থেকে বেশি দূরে নয়। সেখানে বাদুড়ের নানা ধরনের করোনা-ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলে। সেখান থেকেই হয়তো কোনো ভাবে প্রাণ-ঘাতী এই ভাই,রাস ছ,ড়িয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই বেইজিংয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনা করে আসছেন অধ্যাপক হ্যামিলটন। তিনি বলেন, দুই চীনা বিজ্ঞানীর লেখা গবেষণা-পত্রে জোর দিয়েই বলা হয়েছে যে, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাই-রোলজি থেকেই করোনা-ভাইরাস ছ,ড়িয়েছে। তিনি বলেন, এটার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে যে, ওই ল্যাব থেকেই কেউ হয়তো এই ভাই,রাসে আ,ক্রান্ত হয়েছে পরবর্তীতে সে ওই ল্যাব থেকে অন্যদের সংস্পর্শে আসায় তারাও ভাই,রাসে আ,ক্রান্ত হয়েছে।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি বোটাও শিয়াও এবং লেই শিয়াও নামে দু’জন বিজ্ঞানী করোনা নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তারা দু’জনই উহান বিশ্ব-বিদ্যালয়ের। ওই গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, করোনা-ভাইরাস বহন করে বলে যেসব বাদুড়কে স,ন্দেহ করা হয় সে,গুলোর আবাসস্থল উহানের সামুদ্রিক প্রাণীর বাজার থেকে ৯শ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এছাড়াও উহানের লোকজন বাদুড় খায় না। তাই ওই বাজারে বাদুড় কেনা-বেচাও হয় না। উহানের ওই বাজার থেকে করোনা ছ,ড়িয়ে পড়ার বিষয়ে অনেক বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসকও স,ন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে বেসরকারি সেলফোনের লোকে,শনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত উহানের ওই ল্যাব বন্ধ ছিল। ফলে এই সংশয় দানা বাঁধছে যে, ওই সময়ের মধ্যে সেখানে হয়তো মারা,ত্মক কিছু ঘটেছে।

করোনার জন্য প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশই চীনকে দা,য়ী করে আসছে। যদিও বরাবরই এসব অ,ভিযোগ অ,স্বীকার করে আসছে চীন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দা,বি করেছিলেন যে, চীনের ল্যাবেই হয়তো এই ভাই,রাসের উৎপত্তি হয়েছে। সে সময় তিনি এই মহা-মারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় চীনের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন।

এখান থেকে শেয়ার দিন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2019 agambarta24.com
Design BY NewsTheme